সাগর আহমেদ জজ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি
শরতকালের সোনালি রোদে বাংলার মাঠজুড়ে এখন পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ আমন ধানের ক্ষেত সোনালি রঙ ধারণ করেছে, যা কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল। সোনালি রোদে হাসছে বাংলার মাঠ: আমন ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষক শরতের নীল আকাশ আর দিগন্তজোড়া সোনালি ধানের মাঠ—বাংলার চিরচেনা এই রূপ এখন যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফসলের মাঠে লেগেছে কাটার ধুম। চারদিকে পাকা ধানের সুবাস আর কৃষকের ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, নবান্নের আনন্দ কড়া নাড়ছে প্রতিটি কৃষক পরিবারে। সোনালি স্বপ্নে কৃষকের হাসি মাঠের পর মাঠ ধান পেকে সোনালি বর্ণ ধারণ করেছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সঠিক পরিচর্যার ফলে এবার ধানের ফলন হয়েছে বেশ চমৎকার। কৃষকরা কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দলবেঁধে ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সোনালি ধানের এই সমারোহ দেখে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে তৃপ্তির হাসি। ব্যস্ততা ও উৎসবের আমেজ
শুধুমাত্র মাঠেই নয়, কৃষাণীদের ব্যস্ততা বেড়েছে বাড়ির আঙিনাতেও। ধান মাড়াই, শুকানো আর গোলাজাত করার প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। কৃষকরা জানান, গত কয়েক মাসের হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর ঘরে ফসল তোলার এই মুহূর্তটি তাদের কাছে উৎসবের মতো। এবার ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। যদি আবহাওয়া এমন পরিষ্কার থাকে, তবে খুব দ্রুতই সব ধান ঘরে তুলতে পারব। সোনালি ধানের হাসি দেখে আমাদের সব কষ্ট দূর হয়ে গেছে।” — জনৈক স্থানীয় কৃষক। কৃষি বিভাগের পর্যবেক্ষণ স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এবার পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত পাওয়ায় ধানের মান অত্যন্ত উন্নত। বাজারে ধানের ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং আগামীতে আরও উৎসাহিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সোনালি ধানের ভারে নুইয়ে পড়া এই মাঠ আর কৃষকের ঘামঝরা হাসি—সব মিলিয়ে বাংলার প্রকৃতি এখন সমৃদ্ধির নতুন স্বপ্নে বিভোর।
মন্তব্য করুন