মানবতার ফেরিওয়ালা মোঃ জে এইচ রানা নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য মনোনীত
মানবসেবা, সমাজকল্যাণ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ “মানবতার ফেরিওয়ালা” নামে পরিচিত মোঃ জে এইচ রানা-কে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানবিক সহায়তা প্রদান, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর এই অসামান্য অবদানের কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে ভালোবেসে “মানবতার ফেরিওয়ালা” নামে অভিহিত করে।
বর্তমানে তিনি সামাজিক ও আইনি বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংস্থাটি মানবাধিকার রক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
তিনি এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সমাজসেবা, মানবকল্যাণ ও জনহিতকর কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিক সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত এসব স্বীকৃতি মানবতার কল্যাণে তাঁর দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ কাজেরই প্রতিফলন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, বাংলামটর, ঢাকা-এ এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে মোঃ জে এইচ রানাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট তারকা ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। এ আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক উৎসাহ ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
মোঃ জে এইচ রানার এই মনোনয়নকে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবকল্যাণে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শুভানুধ্যায়ীরা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন